তনু হত্যা মামলায় ভুয়া ফরেনসিক রিপোর্টের অভিযোগে ডাক্তার পালানোর চেষ্টা
তনু হত্যা মামলায় নতুন অগ্রগতি, ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় নতুন অগ্রগতি হয়েছে।
মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন হাফিজুর রহমান-কে গ্রেপ্তার করে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালত তারসহ আরও তিন সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ
তনুর বাবা অভিযোগ করে বলেন, শুরুতে মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, ফরেনসিক রিপোর্ট নিয়ে অনিয়ম হয়েছিল।
তিনি তৎকালীন ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের দায়িত্বে থাকা কামদা প্রসাদ সাহা-এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
বিতর্ক ও অভিযোগ
অভিযোগ রয়েছে, প্রথম ও দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট না করে বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছিল। এতে জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়।
পরিবার দাবি করছে, এ ঘটনায় যারা জড়িত বা সহযোগী ছিলেন, তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।
বর্তমান অবস্থা
বর্তমানে মামলার তদন্ত আবারও সক্রিয় হয়েছে এবং নতুন করে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈজ্ঞানিক প্রমাণের মাধ্যমে মামলার প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
