জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ
জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রক্ষা করে অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক ১১০টি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করার ঘটনাকে দেশের সংসদীয় ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর সংসদীয় ইতিহাসে এক অধিবেশনে এত বিপুল পরিমাণ বিল পাস বা অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করার নজির নেই।’
রোববার (১২ এপ্রিল) বিকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদে বিল আকারে পাসের বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
চিফ হুইপ বলেন, ‘সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে সকল বিল আইনে পরিণত করা বা ল্যাপস করার বাধ্যবাধকতা আমাদের বাস্তবায়ন করতে হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ১২ মার্চ সংসদ বসার পর শবে কদর, ঈদ ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে প্রথম ১৫ দিন কার্যত কোনো কাজ করা সম্ভব হয়নি। এই সীমিত সময়ের মধ্যেই বিশেষ কমিটি গঠন করে বিলগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়।
‘এই বিলগুলো সম্পন্ন করতে আমি নিজে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি। স্বাধীনতার পরে এত বেশি অধ্যাদেশকে বিল আকারে পাসের কাজ আর কখনো হয়নি।’
বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর তার ভিত্তিতে ১১০টি অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
