শব্দের রাজনীতির দোহাই দিয়ে আমাদের সন্তান-ভাইদের হত্যা করা হয়েছিল

শব্দের রাজনীতি নিয়ে মাহমুদা আলম মিতুর মন্তব্য

“শব্দের রাজনীতি খুব সাধারণ জিনিস না” — মাহমুদা আলম মিতু

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মাহমুদা আলম মিতু বলেছেন, দেশে আবারও “শব্দের রাজনীতি” শুরু হয়েছে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, শব্দের অপব্যবহার অতীতে সহিংসতা, গুম ও হত্যার মতো ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল।

“শব্দই হয়ে ওঠে সহিংসতার নীরব অনুমতি”

মিতু উল্লেখ করেন, কিছু নির্দিষ্ট শব্দ ব্যবহার করে মানুষকে চিহ্নিত ও আলাদা করা হয়, যা একসময় সহিংসতার পথ তৈরি করে।

তার মতে, “মৌলবাদী”, “জঙ্গী”, “স্বাধীনতা বিরোধী”, “রাজাকার”—এ ধরনের শব্দগুলো অতীতে মানুষের বিরুদ্ধে আদর্শিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

রাজনীতি ও সমাজে প্রভাব

তিনি বলেন, এই ভাষা এখন শুধু রাস্তায় সীমাবদ্ধ নেই; বরং সংসদ, নেতৃত্বের বক্তব্য এবং শিক্ষাঙ্গনেও ছড়িয়ে পড়ছে।

এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আড়ালে পড়ে যাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।

ব্যক্তিগত অনুভূতি

একজন মা হিসেবে তিনি এই প্রবণতাকে ভয় পান বলে উল্লেখ করে বলেন, “শব্দের শেষটা রক্তে গিয়ে থামে, আর রক্ত দেখতে ইচ্ছা করে না।”

তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সময় মিথ্যা ট্যাগ দেওয়া হয়, তবে তিনি তা নিয়ে নীরব থাকেন এবং বিশ্বাস করেন সত্য একসময় প্রকাশিত হয়।

সতর্কবার্তা

মিতু সতর্ক করে বলেন, এই ধরনের শব্দচর্চা নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক পরিণতি দেখা দিতে পারে।

Next News Previous News