‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে দেশ এগিয়ে যাবে’—ইশরাক

মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক মন্তব্য

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ এগিয়ে যাবে: ইশরাক হোসেন

মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ও চেতনাকে ধারণ করে আগামী দিনে দেশ এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ইশরাক হোসেন, যিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সভাপতি এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী।

রবিবার সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী-এর নেতৃত্বে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য

ইশরাক হোসেন বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণায় মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে।

তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একাধিকবার দুঃশাসন ও একদলীয় শাসনের কারণে মূল চেতনা থেকে দেশ বিচ্যুত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এখন নতুন করে সুযোগ এসেছে এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ করা হবে।

রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য

রিজভী বলেন, গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকা জরুরি।

তার মতে, আলোচনার মাধ্যমে বিতর্কের সমাধান সম্ভব এবং এতে গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী হবে।

মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক মন্তব্য

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশ এগিয়ে যাবে: ইশরাক হোসেন

মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ও চেতনাকে ধারণ করে আগামী দিনে দেশ এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ইশরাক হোসেন, যিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সভাপতি এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী।

রবিবার সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী-এর নেতৃত্বে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া-এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য

ইশরাক হোসেন বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণায় মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে।

তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের পর দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একাধিকবার দুঃশাসন ও একদলীয় শাসনের কারণে মূল চেতনা থেকে দেশ বিচ্যুত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এখন নতুন করে সুযোগ এসেছে এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ করা হবে।

রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য

রিজভী বলেন, গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকা জরুরি।

তার মতে, আলোচনার মাধ্যমে বিতর্কের সমাধান সম্ভব এবং এতে গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্ব শক্তিশালী হবে।

Next News Previous News