প্রথম দিনেই ৭ জেলায় সমাবেশ করবেন তারেক রহমান
সিলেট থেকে বিএনপির আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচার শুরু
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর আজ থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচার শুরু হয়েছে। বিএনপি তাদের নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট থেকে।
বুধবার বিএনপির এক সংবাদ সম্মেলনে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনি প্রচার সূচি ঘোষণা করা হয়। জানানো হয়, প্রথম দিনেই তিনি একাধিক জেলায় নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন।
- সিলেট
- মৌলভীবাজার
- হবিগঞ্জ
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- কিশোরগঞ্জ
- নরসিংদী
- নারায়ণগঞ্জ
রাজধানীর গুলশান–২–এ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, বুধবার রাতেই বিমানে সিলেট যাবেন তারেক রহমান। সেখানে পৌঁছে তিনি রাতেই হজরত শাহজালাল (রহ.)–এর মাজার জিয়ারত করবেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু করবেন। এরপর দুপুরে তিনি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুর আইনপুর খেলার মাঠে সমাবেশ করবেন।
পথে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রস্তাবিত নতুন উপজেলা পরিষদ মাঠে একটি সমাবেশে অংশ নেবেন তিনি। পরে দুপুরের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া ফুটবল মাঠে এবং বিকেলে কিশোরগঞ্জের ভৈরব স্টেডিয়ামে নির্বাচনি সমাবেশ করবেন।
সেখান থেকে তিনি নরসিংদী পৌর পার্ক–সংলগ্ন সমাবেশে অংশ নেবেন। এরপর ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার অথবা রূপগঞ্জের গাউছিয়া এলাকায় একটি সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
জেলাগুলোতে নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রম শেষ করে বৃহস্পতিবার রাতেই বিএনপির চেয়ারম্যান ঢাকায় ফিরে আসবেন বলে জানানো হয়।
মাহদী আমিন আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের প্রতি সম্মান জানিয়ে এর আগে শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ ওয়াসিম আকরাম, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং তারেক রহমানের নানির কবর জিয়ারতসহ কিছু সফর বাতিল করা হয়েছিল, যাতে অতিরিক্ত জনসমাগম এড়ানো যায়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনে ত্যাগী নেতাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তারেক রহমানের সফরে পর্যায়ক্রমে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সফরসঙ্গী করা হবে।
সিলেট সফরে তার সঙ্গে থাকছেন আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, মামুন হাসান, আবদুল মোনায়েম মুন্না, কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ও রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ একাধিক তরুণ নেতা।
