আমরা চাঁদা নেব না, কাউকে চাঁদাবাজি করতেও দেব না
মিরপুরে জামায়াত আমিরের নির্বাচনি জনসভা
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে আদর্শ স্কুল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এই সমাবেশের মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রম শুরু করেন।
বেলা ৩টার দিকে জনসভা শুরু হলেও দুপুরের পর থেকেই দাঁড়িপাল্লার স্লোগান দিয়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মাঠে জড়ো হন জামায়াতের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। একপর্যায়ে মানুষের উপস্থিতি মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।
“আমরা কোনো কার্ডের ওয়াদা করছি না। ২ হাজার টাকার কার্ডে কোনো পরিবারের সমস্যার সমাধান হবে না। এতে খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি হবে।”
বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্ড বিতরণের প্রতিশ্রুতির দিকে ইঙ্গিত করে জামায়াত আমির বলেন, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় দেশ চলে। এর বাইরে আরেকটি বেসরকারি ট্যাক্স আছে—যা গরিব থেকে ভিক্ষুক সবার কাছ থেকেই নেওয়া হয়। এই ট্যাক্স নামের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, সমাজে বৈষম্য, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মূল কারণ ইনসাফের অভাব। ইনসাফ থাকলে দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও ব্যাংক ডাকাতরা নিরাপদে পালাতে পারত না কিংবা বিদেশে বেগমপাড়া গড়ে তুলতে পারত না।
“সাড়ে ১৫ বছরে গোটা দেশকে রক্তে লাল দেশে পরিণত করা হয়েছিল। ইতিহাসের কলঙ্ক আয়নাঘর তৈরি করা হয়েছিল।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আয়নাঘর থেকে সেনা কর্মকর্তা ও উচ্চ আদালতের আইনজীবীরাও রক্ষা পাননি। অনেক নিখোঁজ মানুষের স্বজনেরা এখনো তাদের খোঁজ পাননি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবার জন্মভূমি। এখানে আর কোনো ফ্যাসিবাদের ছায়াও দেখতে চান না তিনি। ফ্যাসিবাদ নতুন জামা পরে এলেও একই পরিণতি হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
“বিগত তিন নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। নতুন করে আর কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না।”
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, চব্বিশের তরুণ বিপ্লবের কারণে আজ কথা বলা সম্ভব হয়েছে। ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তরুণদের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি মানুষ দুটি ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে প্রস্তুত। একটি গণভোটের পক্ষে, আরেকটি দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ের পক্ষে।
এ সময় তিনি এনসিপির আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের হাতে শাপলা কলি এবং ঢাকা-১২, ১৪, ১৬ ও ১৭ আসনের জামায়াত প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।
নিজ নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, বিজয়ী হলে মানসম্মত হাসপাতাল, বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মনিপুর স্কুলকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার চেষ্টা করবেন।
“আমি জামায়াতের আমির হিসেবে নয়, সব বঞ্চিত মানুষের পক্ষ নিয়ে দাঁড়িয়েছি।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ঢাকা-১৫ আসনের বাসিন্দারা সৌভাগ্যবান যে জামায়াত আমির এখান থেকে নির্বাচন করছেন। তার পক্ষে সারা দেশে যে জনজোয়ার তৈরি হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি তার প্রমাণ পাওয়া যাবে।
মিরপুরে জামায়াত আমিরের নির্বাচনি জনসভা
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে আদর্শ স্কুল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এই সমাবেশের মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার কার্যক্রম শুরু করেন।
বেলা ৩টার দিকে জনসভা শুরু হলেও দুপুরের পর থেকেই দাঁড়িপাল্লার স্লোগান দিয়ে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মাঠে জড়ো হন জামায়াতের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। একপর্যায়ে মানুষের উপস্থিতি মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।
“আমরা কোনো কার্ডের ওয়াদা করছি না। ২ হাজার টাকার কার্ডে কোনো পরিবারের সমস্যার সমাধান হবে না। এতে খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি হবে।”
বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কার্ড বিতরণের প্রতিশ্রুতির দিকে ইঙ্গিত করে জামায়াত আমির বলেন, জনগণের ট্যাক্সের টাকায় দেশ চলে। এর বাইরে আরেকটি বেসরকারি ট্যাক্স আছে—যা গরিব থেকে ভিক্ষুক সবার কাছ থেকেই নেওয়া হয়। এই ট্যাক্স নামের চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, সমাজে বৈষম্য, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মূল কারণ ইনসাফের অভাব। ইনসাফ থাকলে দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও ব্যাংক ডাকাতরা নিরাপদে পালাতে পারত না কিংবা বিদেশে বেগমপাড়া গড়ে তুলতে পারত না।
“সাড়ে ১৫ বছরে গোটা দেশকে রক্তে লাল দেশে পরিণত করা হয়েছিল। ইতিহাসের কলঙ্ক আয়নাঘর তৈরি করা হয়েছিল।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আয়নাঘর থেকে সেনা কর্মকর্তা ও উচ্চ আদালতের আইনজীবীরাও রক্ষা পাননি। অনেক নিখোঁজ মানুষের স্বজনেরা এখনো তাদের খোঁজ পাননি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবার জন্মভূমি। এখানে আর কোনো ফ্যাসিবাদের ছায়াও দেখতে চান না তিনি। ফ্যাসিবাদ নতুন জামা পরে এলেও একই পরিণতি হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
“বিগত তিন নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। নতুন করে আর কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না।”
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, চব্বিশের তরুণ বিপ্লবের কারণে আজ কথা বলা সম্ভব হয়েছে। ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তরুণদের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি মানুষ দুটি ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে প্রস্তুত। একটি গণভোটের পক্ষে, আরেকটি দখলবাজি, চাঁদাবাজি ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ের পক্ষে।
এ সময় তিনি এনসিপির আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলামের হাতে শাপলা কলি এবং ঢাকা-১২, ১৪, ১৬ ও ১৭ আসনের জামায়াত প্রার্থীদের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।
নিজ নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, বিজয়ী হলে মানসম্মত হাসপাতাল, বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মনিপুর স্কুলকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার চেষ্টা করবেন।
“আমি জামায়াতের আমির হিসেবে নয়, সব বঞ্চিত মানুষের পক্ষ নিয়ে দাঁড়িয়েছি।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ঢাকা-১৫ আসনের বাসিন্দারা সৌভাগ্যবান যে জামায়াত আমির এখান থেকে নির্বাচন করছেন। তার পক্ষে সারা দেশে যে জনজোয়ার তৈরি হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি তার প্রমাণ পাওয়া যাবে।
