নিজের নোবেল ট্রাম্পকে দিতে চান মাচাদো
নোবেল পুরস্কার ট্রাম্পকে দিতে চান মারিয়া কোরিনা মাচাদো
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর একাধিকবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ভেনেজুয়েলার জনগণের পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্টকেও তিনি এই পুরস্কার উৎসর্গ করেছিলেন।
এবার সেই নোবেল পুরস্কারটি সরাসরি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দিয়ে দিতে চান বলে জানিয়েছেন মাচাদো। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলার জনগণ মনে করে—এই পুরস্কারটি ট্রাম্পের সঙ্গেই ভাগ করে নেওয়া উচিত।
“ভেনেজুয়েলার জনগণ বিশ্বাস করে, এই নোবেল শান্তি পুরস্কারটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেই ভাগ করে নেওয়া উচিত” — মারিয়া কোরিনা মাচাদো
মাচাদোর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন খবর বেরিয়েছে—ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে তাকে সমর্থন করছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, শুরুতেই যদি মাচাদো নোবেল পুরস্কারটি ট্রাম্পকে দিয়ে দিতেন, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।
ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার পর ট্রাম্প সরাসরি বলেন, “মাচাদোর নেতৃত্বগুণ এতটা শক্ত নয় যে তিনি একটি দেশ চালাতে পারবেন।” এই মন্তব্যে বিরোধী শিবির বিস্মিত হয় বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করাটাই ট্রাম্পের চোখে ছিল ‘সবচেয়ে বড় অপরাধ’। কারণ ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্যে এই পুরস্কার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জানিয়ে আসছেন।
“যদি মাচাদো বলতেন—‘আমি নোবেল নিতে পারি না, এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাপ্য’— তাহলে আজ তিনিই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হতেন” — ওয়াশিংটন পোস্টের সূত্র
সোমবার (৫ জানুয়ারি) শন হ্যানিটির প্রশ্নের জবাবে মাচাদো স্মরণ করিয়ে দেন, স্বাধীনভাবে পরিচালিত বিরোধী দলের প্রাইমারিতে তিনি ৯২ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তাকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়।
সাক্ষাৎকারে মাচাদো বলেন, “আমি যখন জানতে পারি আমরা নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছি, তখনই এটি ট্রাম্পকে উৎসর্গ করি। কারণ আমি জানতাম—তিনি এর যোগ্য। জানুয়ারি ৩ এমন একটি দিন, যা ইতিহাসে লেখা থাকবে—যেদিন ন্যায়বিচার অত্যাচারের বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের পদক্ষেপ শুধু ভেনেজুয়েলার জনগণকেই স্বাধীনতার কাছাকাছি আনেনি, বরং যুক্তরাষ্ট্রকেও আরও নিরাপদ করেছে।
হ্যানিটি জানতে চান, তিনি কি কখনও সরাসরি ট্রাম্পকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন? উত্তরে মাচাদো বলেন, “এখনও তা হয়নি। তবে আমি সত্যিই চাই, ব্যক্তিগতভাবে তাকে বলতে— ভেনেজুয়েলার জনগণ মনে করে, এই পুরস্কারটি তাঁর সঙ্গেই ভাগ করে নেওয়া উচিত।”
নোবেল পুরস্কার ট্রাম্পকে দিতে চান মারিয়া কোরিনা মাচাদো
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর একাধিকবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রকাশ্যে প্রশংসায় ভাসিয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ভেনেজুয়েলার জনগণের পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্টকেও তিনি এই পুরস্কার উৎসর্গ করেছিলেন।
এবার সেই নোবেল পুরস্কারটি সরাসরি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দিয়ে দিতে চান বলে জানিয়েছেন মাচাদো। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলার জনগণ মনে করে—এই পুরস্কারটি ট্রাম্পের সঙ্গেই ভাগ করে নেওয়া উচিত।
“ভেনেজুয়েলার জনগণ বিশ্বাস করে, এই নোবেল শান্তি পুরস্কারটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেই ভাগ করে নেওয়া উচিত” — মারিয়া কোরিনা মাচাদো
মাচাদোর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন খবর বেরিয়েছে—ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে তাকে সমর্থন করছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, শুরুতেই যদি মাচাদো নোবেল পুরস্কারটি ট্রাম্পকে দিয়ে দিতেন, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।
ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করার পর ট্রাম্প সরাসরি বলেন, “মাচাদোর নেতৃত্বগুণ এতটা শক্ত নয় যে তিনি একটি দেশ চালাতে পারবেন।” এই মন্তব্যে বিরোধী শিবির বিস্মিত হয় বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করাটাই ট্রাম্পের চোখে ছিল ‘সবচেয়ে বড় অপরাধ’। কারণ ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই প্রকাশ্যে এই পুরস্কার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা জানিয়ে আসছেন।
“যদি মাচাদো বলতেন—‘আমি নোবেল নিতে পারি না, এটি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রাপ্য’— তাহলে আজ তিনিই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হতেন” — ওয়াশিংটন পোস্টের সূত্র
সোমবার (৫ জানুয়ারি) শন হ্যানিটির প্রশ্নের জবাবে মাচাদো স্মরণ করিয়ে দেন, স্বাধীনভাবে পরিচালিত বিরোধী দলের প্রাইমারিতে তিনি ৯২ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তাকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়।
সাক্ষাৎকারে মাচাদো বলেন, “আমি যখন জানতে পারি আমরা নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছি, তখনই এটি ট্রাম্পকে উৎসর্গ করি। কারণ আমি জানতাম—তিনি এর যোগ্য। জানুয়ারি ৩ এমন একটি দিন, যা ইতিহাসে লেখা থাকবে—যেদিন ন্যায়বিচার অত্যাচারের বিরুদ্ধে জয়ী হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের পদক্ষেপ শুধু ভেনেজুয়েলার জনগণকেই স্বাধীনতার কাছাকাছি আনেনি, বরং যুক্তরাষ্ট্রকেও আরও নিরাপদ করেছে।
হ্যানিটি জানতে চান, তিনি কি কখনও সরাসরি ট্রাম্পকে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন? উত্তরে মাচাদো বলেন, “এখনও তা হয়নি। তবে আমি সত্যিই চাই, ব্যক্তিগতভাবে তাকে বলতে— ভেনেজুয়েলার জনগণ মনে করে, এই পুরস্কারটি তাঁর সঙ্গেই ভাগ করে নেওয়া উচিত।”
