ধর্মের অপব্যাখ্যায় ভোট চাওয়া ও এনআইডির তথ্য সংগ্রহে শঙ্কা বিএনপির
বিএনপি ধর্মীয় অপব্যবহার ও ভোটার তথ্য সংক্রান্ত উদ্বেগ প্রকাশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দল মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। একই সঙ্গে ভোটারদের এনআইডি বা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ এবং তার অপব্যবহারের আশঙ্কা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন জানান, চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দ্বিতীয় নির্বাচনি সফরে বিপুল জনগণ অংশগ্রহণ করেছে। এতে তারেক রহমানের প্রতি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ২৯২টি আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। দলের প্রার্থীদের মধ্যে ৮৫ জন সাবেক সংসদ সদস্য, ১৯ জন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন, আর ২৩৭ জন ন্যূনতম স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। নারীর অংশগ্রহণের বিষয়ে এবার ১০ জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন।
ড. মাহদী আমিন অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন পোস্ট ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে একটি প্রতীককে জয়ী করাকে 'ঈমানি দায়িত্ব' বলা হচ্ছে এবং কবরের জবাবের সঙ্গে ভোটকে যুক্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাসকে এভাবে ব্যবহার করে ভোট চাওয়া নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
এছাড়া ভোটারদের এনআইডি কার্ডের কপি, মোবাইল ফোন ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহের শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এসব তথ্য ব্যবহার করে ভুয়া ভোট, মৃত ব্যক্তির নামে ভোট প্রদান বা আর্থিক প্রলোভনের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হতে পারে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভোটকেন্দ্রে স্থানীয় বাসিন্দা, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়ায় নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তাই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে, নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব স্থানীয় থানার বাইরে প্রদান করা হোক।
