লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে আশরাফ উদ্দিন নিজানের মনোনয়ন ফরম দাখিল
লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজানের মনোনয়ন দাখিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৭৭ নম্বর সিট, লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টায় কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির একটি প্রতিনিধি দলকে সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজেই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রাহাত উজ-জামান মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।
নেতাকর্মীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা
দীর্ঘদিন পর নির্বাচনি পরিবেশ ফিরতে থাকায় মনোনয়ন দাখিলকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে উপজেলার হাফিজিয়া সংলগ্ন রামগতি-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত আশরাফ উদ্দিন নিজানের কমলনগরস্থ বাসভবনে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিল
দোয়া অনুষ্ঠানে মহান আল্লাহর দরবারে দেশ ও জাতির শান্তি, গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এছাড়া শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর আত্মার মাগফিরাত, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া-এর সুস্থতা ও নেক হায়াত, এবং তারেক রহমান ও এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান-এর দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়।
একই সঙ্গে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য দোয়া করা হয়।
দোয়া মাহফিলে উপজেলা ও পৌর বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়ন দাখিলকালে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
- নুরুল হুদা চৌধুরী – সভাপতি, কমলনগর উপজেলা বিএনপি
- এম দিদার হোসেন – সাধারণ সম্পাদক, কমলনগর উপজেলা বিএনপি
- বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা
পূর্ববর্তী নির্বাচনের ইতিহাস
উল্লেখ্য, ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে অনুষ্ঠিত চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যে তিনবারই বিএনপি বা বিএনপির নেতৃত্বাধীন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
এর মধ্যে ২০০১ ও ২০০৮ সালে ধানের শীষ প্রতীকে এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৯৬ সালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ, বর্তমান জেএসডি)-এর প্রার্থী আ.স.ম. আব্দুর রব বিজয়ী হন।
পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ টানা ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে বলে অভিযোগ করে বিএনপি। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়।
