ক-ভারত সংঘাত ঠেকিয়ে নোবেল মনোনয়নে ট্রাম্প! হোয়াইট হাউসের স্বাগত
বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন চমক। মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন দেওয়ার সুপারিশ করেছে পাকিস্তান। এই অভাবনীয় উদ্যোগ এসেছে সরাসরি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের পক্ষ থেকে। আর সেই সুপারিশে ইতিবাচক সাড়া জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
জিও নিউজের বরাতে জানা গেছে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মনোনয়ন ভারত ও পাকিস্তানের সম্ভাব্য পারমাণবিক যুদ্ধ ঠেকাতে তার কূটনৈতিক জয় প্রমাণ করেছে।”
ঘটনার সূত্রপাত গত এপ্রিলে, যখন ভারতের জম্মু ও কাশ্মিরের পেহেলগামে এক হামলায় ২৬ পর্যটক নিহত হন। জবাবে ৭ মে পাকিস্তানের ভূখণ্ডে 'অপারেশন সিঁদুর' নামে বিমান হামলা চালায় ভারত। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান চালায় 'অপারেশন বুনিয়ান উল মারসুস'। এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে উঠছিল—ঠিক তখনই কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে এগিয়ে আসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তাঁর মধ্যস্থতায় শান্তিচুক্তির পথে এগিয়ে আসে দিল্লি ও ইসলামাবাদ। সংঘাতের স্থলে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়, যা অনেক বিশ্লেষকের মতে “একটি সম্ভাব্য পারমাণবিক বিপর্যয় এড়ানোর পথ খুলে দেয়।”
এরপর জুন মাসে ট্রাম্পের আমন্ত্রণে হোয়াইট হাউসে যান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর মধ্যাহ্নভোজ ও বৈঠকের পর তিনি বলেন, “বিশ্বশান্তিতে অসামান্য অবদানের জন্য ট্রাম্পকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা উচিত।” ইসলামাবাদ থেকে পাঠানো হয় নরওয়ের নোবেল কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিক সুপারিশপত্রও।
সাম্প্রতিক আপডেট: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর নজর এখন নোবেল কমিটির দিকে—তারা কীভাবে এই সুপারিশ বিবেচনা করে, সেটিই দেখার বিষয়। তবে অনেক বিশ্লেষক ইতোমধ্যে এই পদক্ষেপকে “রাজনৈতিক কৌশলের এক নতুন মাত্রা” বলেও অভিহিত করছেন।
বিশ্বশান্তির প্রশ্নে এই মনোনয়ন কী শুধুই কূটনৈতিক সৌজন্য, নাকি এর পেছনে আরও গভীর ভূরাজনৈতিক বার্তা লুকানো? পাঠক, আপনার মতামত কী?
