“ফ্যাসিস্টদের বিচার নির্বাচনের আগেই সম্পন্ন হবে”—আশাবাদ আইন উপদেষ্টার
শাহবাগে এক তথ্যচিত্র প্রদর্শনীতে বিচারব্যবস্থা নিয়ে মুখ খুললেন আইন উপদেষ্টা।
সাম্প্রতিক সময়ে বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নানা বিতর্ক থাকলেও, এটি এখন ‘পূর্ণ গতিতে ও দৃশ্যমানভাবে’ কার্যকর বলে মন্তব্য করেছেন সরকারের আইন উপদেষ্টা। তাঁর ভাষায়, “আমি বিশ্বাস করি, নির্বাচনের আগেই ফ্যাসিস্টদের বিচার সম্পন্ন হবে।”
জাতীয় জাদুঘরে অনুষ্ঠিত ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ (জুলাই আপরাইজিং)’ তথ্যচিত্রের প্রিমিয়ার শোতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, সরকার বর্তমানে বিচার প্রক্রিয়াকে গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর করার প্রতি সর্বোচ্চ অঙ্গীকারবদ্ধ।
আইন উপদেষ্টা বলেন, “জনগণের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিচার, সংস্কার, শহীদদের পুনর্বাসন ও নির্বাচনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।”
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, “শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দল বিচারের গতি ব্যাহত করতে দেশ-বিদেশে বিপুল অর্থ ব্যয় করছে এবং বিভ্রান্তি ছড়াতে চেষ্টা করছে। তবে সরকার নিরপেক্ষ এবং সর্বোচ্চ মানের বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করছে।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “বাংলাদেশের জুলাই কখনও হারিয়ে যাবে না।”
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট:
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশের বিচার ও মানবাধিকার প্রশ্নে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচনা চলছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থাও স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
প্রশ্ন রয়ে যায়—আসন্ন নির্বাচনের আগে এই উচ্চাভিলাষী বিচার প্রক্রিয়া কতটা বাস্তবে রূপ নিতে পারবে? এবং সত্যিই কি জনগণ এর ফলাফল অনুভব করতে পারবে?
