“জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ টাকায় পরিশোধযোগ্য নয়”— কক্সবাজারে স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণের উদ্বোধন
কক্সবাজার থেকে: “জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ কখনও টাকা দিয়ে পোষানো যাবে না”—এমনই জোরালো বার্তা দিয়ে কক্সবাজারে ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তাঁর ভাষায়, “জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের ওপর নতুন বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে। তাদের শুধু তারিখে তারিখে নয়, প্রতিনিয়ত স্মরণ করতে হবে।”
সোমবার দুপুরে কক্সবাজার শহরের পর্যটন হোটেল শৈবাল সংলগ্ন এলাকায় এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক ই আজম।
এই স্মৃতি স্তম্ভটি শুধু কোনো দিবস উদযাপনের জন্য নয়—বরং সারাবছর ধরে জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও অবদানকে স্মরণ করার জন্যই নির্মিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তাঁর ভাষায়, “এই স্মৃতি স্তম্ভের মাধ্যমে স্বজন হারানো পরিবারগুলোও যেনো স্মৃতিচারণ করতে পারে, সেই ব্যবস্থাও করতে হবে।”
জানা গেছে, ‘জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ’-এর নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সরকারের পূর্ত মন্ত্রণালয়কে। এ ছাড়া, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনও এ দায়িত্ব পালন করবে বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক।
সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট: চলমান সময়ে মুক্তিযুদ্ধ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণে সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে এই ধরনের স্থাপনা গড়ে তোলার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানাতে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
প্রশ্ন আপনার জন্য: আমরা কি যথাযথভাবে আমাদের বীরদের স্মরণ করছি? নাকি তা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে শুধুই কিছু বিশেষ দিনে ফুল দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতায়?
