ইরান: পরমাণু আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও চাপ মেনে নেবে না
ইরান তার পরমাণু কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকি মেনে নেবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, পরমাণু আলোচনা স্থগিতের পরও ইরান আন্তর্জাতিক নীতি এবং জাতিসংঘের সনদে সম্মান জানাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। তবে কোনো অবস্থাতেই এমন হুমকি বা চাপ সহ্য করবে না, যা আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালার পরিপন্থী।
- পরমাণু আলোচনা সম্প্রতি স্থগিত হয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা হুমকি ও চাপের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে ইরান।
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের সনদ অনুসরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ইরান।
- ইরানের দৃষ্টিতে, চাপ প্রয়োগ কূটনৈতিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।
২০১৫ সালে ইরান ও ছয়টি বিশ্বশক্তির মধ্যে পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তবে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে বের হয়ে ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এরপর থেকে উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে। ইরান দাবি করে, তাদের পরমাণু কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক আইনসিদ্ধ।
চুক্তি পুনঃস্থাপনে ইউরোপীয় দেশগুলো মধ্যস্থতা করে আসছে, কিন্তু একাধিকবার আলোচনা স্থগিত হয়েছে। ইরান বলছে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায় তারা, তবে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নয়।
পরমাণু আলোচনা স্থগিত হলেও ইরান আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল অবস্থান বজায় রাখার কথা বলেছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে, হুমকি ও চাপের মাধ্যমে কোনো অগ্রগতি সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের মতে, শান্তিপূর্ণ কূটনীতিই এখন একমাত্র পথ যা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা কমিয়ে আনার জন্য কার্যকর হতে পারে।
