খেজুরের মতো হাসনাতের কাছে ল্যাম্পপোস্টসহ অন্যান্য কাজের হিসাব চান এলাকাবাসী
দেবিদ্বারে সোলার ল্যাম্পপোস্ট বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এর হিসাব প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) সৈয়দ সাইফুল ইসলাম। তিনি দাবি করেছেন, খেজুর বিতরণের হিসাব প্রকাশ করা হলেও ল্যাম্পপোস্ট বিতরণের বিষয়ে এখনো কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, দেবিদ্বারে বিতরণ করা সোলার ল্যাম্পপোস্টগুলোর অনেকগুলো নির্ধারিত স্থানে স্থাপন করা হয়নি। তার দাবি, কিছু ল্যাম্পপোস্ট প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বাড়ির সামনে, ব্যক্তিগত কবরস্থানে কিংবা অননুমোদিত স্থানে বসানো হয়েছে।
সৈয়দ সাইফুল ইসলাম বলেন, ভিডিওর মন্তব্যে তিনি বিভিন্ন স্থানের তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করবেন। তার অভিযোগ, কিছু এলাকায় প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়নি, আবার কোথাও প্রয়োজনের তুলনায় একাধিক ল্যাম্পপোস্ট দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এলাকার মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলছেন এবং অনেকে উপজেলা প্রশাসনের কাছেও অভিযোগ দিয়েছেন। তাই প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনগণের সামনে প্রকাশ করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।
তার ভাষ্য, যদি ল্যাম্পপোস্ট বিতরণের দায়িত্ব উপজেলা প্রশাসনের হয়ে থাকে, তাহলে একই যুক্তিতে খেজুর বিতরণের হিসাবও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দেওয়ার কথা ছিল। এ কারণে তিনি বিষয়টিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।
এছাড়া রাস্তা সংস্কার, উন্নয়ন প্রকল্প এবং সরকারি আর্থিক বরাদ্দের যথাযথ বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, সেসব বিষয়েও নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য: সোলার ল্যাম্পপোস্ট বিতরণ নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা হাসনাত আব্দুল্লাহর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি এবং অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
