পাকিস্তানের ‘কৌশলগত তেলের’ মজুদ শূন্য—স্বীকার করলেন মন্ত্রী
ইরান যুদ্ধের প্রভাব: তেলের দাম ও ভারত-পাকিস্তান তুলনা
ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালির অবরোধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ।
সংকটের কারণ
- হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা
- মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি
- জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা
ভারতের অবস্থান
- কৌশলগত তেলের মজুদ (৬০–৭০ দিন)
- বড় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ (~৬০০ বিলিয়ন ডলার)
- কর কমিয়ে দাম নিয়ন্ত্রণ
- বিভিন্ন দেশ থেকে তেল আমদানি
পাকিস্তানের চ্যালেঞ্জ
- কোনো কৌশলগত তেলের মজুদ নেই
- মাত্র ৫–৭ দিনের অপরিশোধিত তেল
- ২০–২১ দিনের পরিশোধিত জ্বালানি
- আইএমএফের ওপর নির্ভরতা
সরকারি পদক্ষেপ (পাকিস্তান)
- পেট্রোলের দাম কমিয়ে ৩৭৮ রুপি
- ডিজেলে লেভি শূন্য করা
- মোটরসাইকেল চালকদের জন্য ভর্তুকি
তুলনামূলক চিত্র
| বিষয় | ভারত | পাকিস্তান |
|---|---|---|
| কৌশলগত মজুদ | আছে | নেই |
| বৈদেশিক রিজার্ভ | উচ্চ | কম |
| মূল্য নিয়ন্ত্রণ | সহজ | কঠিন |
| আইএমএফ নির্ভরতা | না | হ্যাঁ |
উপসংহার
এই সংকট দেখিয়েছে যে শক্তিশালী অর্থনীতি ও কৌশলগত মজুদ থাকা দেশগুলো বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পারে। অন্যদিকে, সীমিত সম্পদ থাকা দেশগুলো বেশি ঝুঁকিতে পড়ে।
